ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা

গিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। তবে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার একঘন্টা পূর্বে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

এদিকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক পরে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। এসময় তিনি জামায়াতের ভোট বর্জনকে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ও পূর্ব পরিকল্পিত বলে দাবি করেন। এছাড়াও নিশ্চিত পরাজয় জেনেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত ভোট বর্জন করেছেন বলেও জানান তিনি।

তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, ভোট বর্জনের ব্যাপারে লিখিত কোন অভিযোগ তারা পাননি।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত ও প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।

জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পাঁচজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই।

শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে। তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা

আপডেট হয়েছে : ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

গিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। তবে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার একঘন্টা পূর্বে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

এদিকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক পরে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। এসময় তিনি জামায়াতের ভোট বর্জনকে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ও পূর্ব পরিকল্পিত বলে দাবি করেন। এছাড়াও নিশ্চিত পরাজয় জেনেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে জামায়াত ভোট বর্জন করেছেন বলেও জানান তিনি।

তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, ভোট বর্জনের ব্যাপারে লিখিত কোন অভিযোগ তারা পাননি।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত ও প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।

জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পাঁচজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই।

শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে। তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন।