ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাওরের ধান তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে

চলিত মাসের প্রথম সপ্তাহে থেকে মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওরের বোরো ধান কাটা পুরোদমে শুরু হয়েছিল।

মুষলধারে বৃষ্টি আর সুনামগঞ্জ থেকে আসা পানি হাওর রক্ষা বাধ ভেঙ্গে মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওরের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

খুরশিমূল গ্রামের কৃষক অসিত সরকার বলেন, ডিঙ্গাপোতা হাওরে প্রচুর ফলন হয়েছে। এবার হাওরে অধিকাংশ জমিনে ব্রি-৮৮ ধান রোপণ করা হয়েছিল। প্রতি কাঠা (১০ শতাংশ ১ কাঠা) ৮–১০ মণ ধানের ফলন হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বৃষ্টির পানি আর সড়কের বেহাল দশায় আমাদের সোনালি ফসল ডুবে গেল।

আনোয়ার নামে এক কৃষক বলেন, ডিঙ্গাপোতা হাওরে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছিল কিন্তু অতি বৃষ্টির পানি আর হাওরের বেহাল মাটির রাস্তার কারণে আমরা ফসল ঘরে উঠাতে পারি নাই।

ডিঙ্গাপোতা হাওর এলাকার কৃষকদের ভাষ্যমতে কত সরকার আসে যায় কিন্তু হাওরের টিকসই বাঁধ এবং হাওরের মাটির সড়ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ না নেওয়ায় আজ আমরা নিঃস্ব।ফসল কাটার অনেক সময় পেয়েছিলাম বৈরী আবহাওয়া এবং বেহাল রাস্তার কারণে আমরা সংগ্রহ করতে পারি নাই। আমাদের অনুমান ৫০ শতাংশের উপরে ধান পানিতে ডুবে যাচ্ছে।

মোহনগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ডিঙ্গাপোতা হাওরে প্রতি বছর সাধারণত ৬ থেকে ৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। হেক্টর প্রতি প্রায় ৬-৭ মেট্রিক টনের বেশি ধান পাওয়া যায়, যা একরে ৫৫ মণ পর্যন্ত হয়।

সর্বাধিক পঠিত

পারমাণু সম্মেলনে কোনো ঐকমত্য না হওয়ায় হতাশ জাতিসংঘ মহাসচিব

হাওরের ধান তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে

আপডেট হয়েছে : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চলিত মাসের প্রথম সপ্তাহে থেকে মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওরের বোরো ধান কাটা পুরোদমে শুরু হয়েছিল।

মুষলধারে বৃষ্টি আর সুনামগঞ্জ থেকে আসা পানি হাওর রক্ষা বাধ ভেঙ্গে মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওরের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

খুরশিমূল গ্রামের কৃষক অসিত সরকার বলেন, ডিঙ্গাপোতা হাওরে প্রচুর ফলন হয়েছে। এবার হাওরে অধিকাংশ জমিনে ব্রি-৮৮ ধান রোপণ করা হয়েছিল। প্রতি কাঠা (১০ শতাংশ ১ কাঠা) ৮–১০ মণ ধানের ফলন হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বৃষ্টির পানি আর সড়কের বেহাল দশায় আমাদের সোনালি ফসল ডুবে গেল।

আনোয়ার নামে এক কৃষক বলেন, ডিঙ্গাপোতা হাওরে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছিল কিন্তু অতি বৃষ্টির পানি আর হাওরের বেহাল মাটির রাস্তার কারণে আমরা ফসল ঘরে উঠাতে পারি নাই।

ডিঙ্গাপোতা হাওর এলাকার কৃষকদের ভাষ্যমতে কত সরকার আসে যায় কিন্তু হাওরের টিকসই বাঁধ এবং হাওরের মাটির সড়ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ না নেওয়ায় আজ আমরা নিঃস্ব।ফসল কাটার অনেক সময় পেয়েছিলাম বৈরী আবহাওয়া এবং বেহাল রাস্তার কারণে আমরা সংগ্রহ করতে পারি নাই। আমাদের অনুমান ৫০ শতাংশের উপরে ধান পানিতে ডুবে যাচ্ছে।

মোহনগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ডিঙ্গাপোতা হাওরে প্রতি বছর সাধারণত ৬ থেকে ৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। হেক্টর প্রতি প্রায় ৬-৭ মেট্রিক টনের বেশি ধান পাওয়া যায়, যা একরে ৫৫ মণ পর্যন্ত হয়।