ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার ও সংসদের বৈধতা থাকবে না, বললেন সিপিএএ

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছে। ফলে গণভোট ও জুলাই সনদকে উপেক্ষা হলে বর্তমান সরকার ও সংসদের কোনো রাজনৈতিক বৈধতা থাকতে পারে না।

‘নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ, গণভোটের অঙ্গীকার, জুলাই সনদ এবং সংস্কার প্রস্তাবসমূহের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (সিপিএএ)।

সিপিএএ’র প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব ড. মো. শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম। আরও বক্তব্য রাখেন সিপিএএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব আবদুল কাইউম, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, মানারাত ইন্টারন্যাশলাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আব্দুর রব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাফিউল ইসলাম, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষিকা মারদিয়া মমতাজ।

বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের অঙ্গীকার তথা রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জুলাই সনদ এবং সংস্কার উপেক্ষা করারও কোনো নৈতিক ও আইনী বৈধতা নেই। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে অবদমিত করতে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করা আত্মঘাতী হবে। গণভোট ও জুলাই চেতনাকে উপেক্ষা করা হলে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে।

জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্যদেরকে সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

সরকার ও সংসদের বৈধতা থাকবে না, বললেন সিপিএএ

আপডেট হয়েছে : ০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছে। ফলে গণভোট ও জুলাই সনদকে উপেক্ষা হলে বর্তমান সরকার ও সংসদের কোনো রাজনৈতিক বৈধতা থাকতে পারে না।

‘নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ, গণভোটের অঙ্গীকার, জুলাই সনদ এবং সংস্কার প্রস্তাবসমূহের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (সিপিএএ)।

সিপিএএ’র প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব ড. মো. শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম। আরও বক্তব্য রাখেন সিপিএএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব আবদুল কাইউম, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, মানারাত ইন্টারন্যাশলাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আব্দুর রব, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাফিউল ইসলাম, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষিকা মারদিয়া মমতাজ।

বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের অঙ্গীকার তথা রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। জুলাই সনদ এবং সংস্কার উপেক্ষা করারও কোনো নৈতিক ও আইনী বৈধতা নেই। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে অবদমিত করতে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করা আত্মঘাতী হবে। গণভোট ও জুলাই চেতনাকে উপেক্ষা করা হলে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে।

জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্যদেরকে সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।