ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই পর্যন্ত ৬০ জন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে : ঢামেক পরিচালক

শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভে আহতদের মধ্যে অর্ধশতাধিকের বেশিজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢামেক পরিচালক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আহত ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ জন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩০ জনের এক্সটারনাল ইনজুরি রয়েছে।

তিনি জানান, আহতদের মাথা, মুখ, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা লাঠির আঘাতে হয়েছে। এছাড়া অনেকের টিয়ারশেলের কারণে ইনহেলেশন ইনজুরি হয়েছে। তাদের অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। হাসপাতালে প্রায় ২০০ চিকিৎসক উপস্থিত আছেন এবং তিনি নিজেও সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। চিকিৎসক ও নার্সের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি বিভাগের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, যাতে একসঙ্গে ২৫ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষণ করুন

দুর্গাপূজায় ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘কাট-পিস’

এই পর্যন্ত ৬০ জন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে : ঢামেক পরিচালক

আপডেট হয়েছে : ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভে আহতদের মধ্যে অর্ধশতাধিকের বেশিজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢামেক পরিচালক বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আহত ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ জন আহতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩০ জনের এক্সটারনাল ইনজুরি রয়েছে।

তিনি জানান, আহতদের মাথা, মুখ, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা লাঠির আঘাতে হয়েছে। এছাড়া অনেকের টিয়ারশেলের কারণে ইনহেলেশন ইনজুরি হয়েছে। তাদের অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। হাসপাতালে প্রায় ২০০ চিকিৎসক উপস্থিত আছেন এবং তিনি নিজেও সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। চিকিৎসক ও নার্সের কোনো ঘাটতি নেই। জরুরি বিভাগের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, যাতে একসঙ্গে ২৫ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়।