সর্বসাধরনের জন্য উন্মুক্ত করার পূর্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কূটনীতিকদের জাদুঘরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরিয়ে দেখান এবং ব্রিফ করেন।
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। এই জাদুঘরের মূল উদ্দেশ্য হলো-এ ধরনের দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি যেন শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের কোথাও না ঘটে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করতে পেরে আমি আনন্দিত। এটি অনুপ্রেরণাদায়ক এবং ইতিহাস বোঝা, গণঅভ্যুত্থান কীভাবে সংঘটিত হয় এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি উপলব্ধির ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী স্মারক।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কূটনৈতিকদের মধ্যে ছিলেন আলজেরিয়া, আর্জেন্টিনা, ভুটান, ডেনমার্ক, মিসর, ফ্রান্স, ইরান, ইরাক, ইতালি, কসোভো, লিবিয়া, মরক্কো, নেপাল, নরওয়ে, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও ব্রুনাই দারুসসালামের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক (AKDN), এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB), বিমসটেক, সিআইআরডিএপি, এফএও, আইএফডিসি, আইওএম, ইউনেস্কো, ইউএনএইচসিআর, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) এবং ইউএনওপিএস-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেন, এই জাদুঘর শেখ হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রামের প্রতিফলন।
জুলাই জাদুঘরের প্রধান কিউরেটর তানজিম ওয়াহাব কূটনীতিক ও অতিথিদের জাদুঘরের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই সফরের শুরুতে কূটনীতিকরা ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনার আমলে শহীদ প্রায় চার হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।




















