ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফজলুর রহমানের বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী বললেন: মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ

জাতীয় সংসদে মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তৃতাকালে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাকে নিয়ে যে অপ্রীতিকর ও অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করেছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন ও সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজিরুল ইসলাম সহ ৭০ সদস্য এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতারা বলেন, সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে, এমনকি সংসদেও বক্তব্যে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা জিয়াউর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। স্বাধীনতার পর মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ সরকারের অধীনে ছিল এবং এখন পর্যন্ত সরকারের অধীনেই আছে, তারা সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের টাকায় ভাতাপ্রাপ্ত হয়ে আসছেন। দেশ স্বাধীনের পর আওয়ামী লীগ সরকারে থাকায় আওয়ামী লীগ মতাদর্শের মুক্তিযোদ্ধারা দলটিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে কেউ জাসদে, কেউ জাতীয় পার্টিতে এবং রাজনৈতিক দল বিএনপি গঠন হলে অনেকে দলটিতে যোগ দেন। এছাড়াও কেউ কেউ আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দলে যোগ দেন।

এমনকি ১৯৭৯ সালে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করার পর অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। তেমনই ফজলুর রহমান নিজের অতীত আওয়ামী নীতি বিসর্জন দিয়ে অনেক দল বদলের পর বিএনপিতে যোগ দেন। কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার আইয়ুব বিন হায়দারের ভাষ্যমতে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ট্রেইনিং গ্রহণের পর কোনো অস্ত্রই হাতে নেননি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি কোনো কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন না।

অন্যদিকে যেসকল মুক্তিযোদ্ধা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করেন, তারা দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আলাদা শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং জামায়াতে ইসলামী সেই শক্তিকে সমর্থন দেয়। সুতরাং, ‘মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না, কোনো শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করতেই পারে না- করলে এটা ডাবল অপরাধ।’ ফজলুর রহমানের এহেন বক্তব্য মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমরা তার দেয়া এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। স্বাধীন নাগরিক হিসেবে যেকোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের যেকোনো রাজনৈতিক দল ও মতের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন, যা নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার বলে মনে করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ।

তারা আরও বলেন, দেশ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মহান জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা। ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করার জায়গা জাতীয় সংসদ নয়। সরকারদলীয় এমপি ফজলুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ্য করে সংসদে যে সকল হিংসাত্মক এবং আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা নিন্দনীয়। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তার ওই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধাা পরিষদ নেতারা আহবান জানিয়ে বলেন, আসুন- আমরা বিভাজনের রাজনীতির মানসিকতা পরিহার করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে চব্বিশের জুলাই সনদের নীতির আলোকে সংবিধান সংস্কার করে সকলে মিলে দেশটাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিনির্মাণের চেষ্টা করি। তা না হলে দেশটা পুনরায় ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরাচারী শাসনের দিকে এগিয়ে যাবে, যা কারও জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

বিবৃতিতে সই করা বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন-

ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন, সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. ফজলুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. আবদুল ওয়ারেছ, সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা ,ডা. আলতাফ হোসেন সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. শাহাবুদ্দিন, সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. মতিউর রহমান, সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. তাজিরুল ইসলাম সেক্রেটারি জেনারেল, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শামসুদ্দিন মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বোরহান উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাররম হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ পাটোয়ারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা দৌলত আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বকসী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকসেদ আলী প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডি. এস. শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নাছিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার নাসির উদ্দিন নাসিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ গোলাম মস্তফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. এম. এ. সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রমজান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তোফাজ্জল হোসেন হেলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সোহরাব উদ্দিন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রশিদ রাসু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাদেক আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সানাউল্লাহ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল কাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকমল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাশেম বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. গোলাম রব্বানী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আইয়ুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আমজাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলে রাব্বি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী এনায়েত উল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফেজ আহছান উল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন মল্লিক।

ফজলুর রহমানের বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী বললেন: মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ

আপডেট হয়েছে : এক ঘন্টা আগে

জাতীয় সংসদে মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তৃতাকালে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাকে নিয়ে যে অপ্রীতিকর ও অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করেছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন ও সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজিরুল ইসলাম সহ ৭০ সদস্য এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতারা বলেন, সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে, এমনকি সংসদেও বক্তব্যে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা জিয়াউর রহমানের আহ্বানে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। স্বাধীনতার পর মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ সরকারের অধীনে ছিল এবং এখন পর্যন্ত সরকারের অধীনেই আছে, তারা সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের টাকায় ভাতাপ্রাপ্ত হয়ে আসছেন। দেশ স্বাধীনের পর আওয়ামী লীগ সরকারে থাকায় আওয়ামী লীগ মতাদর্শের মুক্তিযোদ্ধারা দলটিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে কেউ জাসদে, কেউ জাতীয় পার্টিতে এবং রাজনৈতিক দল বিএনপি গঠন হলে অনেকে দলটিতে যোগ দেন। এছাড়াও কেউ কেউ আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দলে যোগ দেন।

এমনকি ১৯৭৯ সালে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করার পর অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। তেমনই ফজলুর রহমান নিজের অতীত আওয়ামী নীতি বিসর্জন দিয়ে অনেক দল বদলের পর বিএনপিতে যোগ দেন। কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার আইয়ুব বিন হায়দারের ভাষ্যমতে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ট্রেইনিং গ্রহণের পর কোনো অস্ত্রই হাতে নেননি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি কোনো কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন না।

অন্যদিকে যেসকল মুক্তিযোদ্ধা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করেন, তারা দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে আলাদা শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং জামায়াতে ইসলামী সেই শক্তিকে সমর্থন দেয়। সুতরাং, ‘মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না, কোনো শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করতেই পারে না- করলে এটা ডাবল অপরাধ।’ ফজলুর রহমানের এহেন বক্তব্য মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমরা তার দেয়া এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। স্বাধীন নাগরিক হিসেবে যেকোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষের যেকোনো রাজনৈতিক দল ও মতের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন, যা নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার বলে মনে করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ।

তারা আরও বলেন, দেশ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মহান জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা। ব্যক্তিগত কিংবা দলীয় আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করার জায়গা জাতীয় সংসদ নয়। সরকারদলীয় এমপি ফজলুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ্য করে সংসদে যে সকল হিংসাত্মক এবং আক্রমণাত্মক ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা নিন্দনীয়। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তার ওই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধাা পরিষদ নেতারা আহবান জানিয়ে বলেন, আসুন- আমরা বিভাজনের রাজনীতির মানসিকতা পরিহার করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে চব্বিশের জুলাই সনদের নীতির আলোকে সংবিধান সংস্কার করে সকলে মিলে দেশটাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বিনির্মাণের চেষ্টা করি। তা না হলে দেশটা পুনরায় ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরাচারী শাসনের দিকে এগিয়ে যাবে, যা কারও জন্য মঙ্গলজনক হবে না।

বিবৃতিতে সই করা বীর মুক্তিযোদ্ধারা হলেন-

ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন, সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. ফজলুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. আবদুল ওয়ারেছ, সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা ,ডা. আলতাফ হোসেন সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. শাহাবুদ্দিন, সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. মতিউর রহমান, সহ-সভাপতি, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, মো. তাজিরুল ইসলাম সেক্রেটারি জেনারেল, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, ঢাকা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শামসুদ্দিন মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বোরহান উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাররম হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ পাটোয়ারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা দৌলত আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বকসী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকসেদ আলী প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডি. এস. শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নাছিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার নাসির উদ্দিন নাসিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আজিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ গোলাম মস্তফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. এম. এ. সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রমজান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তোফাজ্জল হোসেন হেলাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সোহরাব উদ্দিন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রশিদ রাসু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাদেক আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সানাউল্লাহ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল কাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকমল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাশেম বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. গোলাম রব্বানী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আইয়ুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আমজাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলে রাব্বি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী এনায়েত উল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফেজ আহছান উল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন মল্লিক।