ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ থেকে আবারো বিরোধী দলের ওয়াকআউট

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেন। এনিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদল তৃতীয়বারের মত ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল।

গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল। এসময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করছিলেন।

ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে। আমরা তার দায় নিতে চাই না। এজন্য আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। এ ঘোষণা দেওয়ার পরই ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।

ওয়াকআউট করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, আজকের দিন বিচারবিভাগের স্বাধীনতার জন্য বেদনাদায়ক দিন। আলোচনা কিছুটা করতে পারলেও সরকার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আইনটি রহিত করা হলো।

তিনি বলেন, যে আইনগুলো সরকারের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে পারে তারা কেবল সেগুলো পাস করছে। সরকারের এ দ্বিমুখী অবস্থান দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে না। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় একতরফা ভাবে আইন পাস করছে সরকার।

উল্লেখ, বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুন:প্রচলন) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল; জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল, জেলা পরিষদ বিল, পৌরসভা বিলসহ কয়েকটি বিলে আপত্তি দেয়। তবে তাদের আপত্তি থাকলেও কণ্ঠভোটে সবগুলো বিল পাস হয়।

সংসদ থেকে আবারো বিরোধী দলের ওয়াকআউট

আপডেট হয়েছে : ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ আগে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেন। এনিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদল তৃতীয়বারের মত ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল।

গণবিরোধী’ বিল পাসের অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধীদল। এসময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদের বৈঠকের সভাপতিত্ব করছিলেন।

ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে। আমরা তার দায় নিতে চাই না। এজন্য আমরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। এ ঘোষণা দেওয়ার পরই ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।

ওয়াকআউট করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, আজকের দিন বিচারবিভাগের স্বাধীনতার জন্য বেদনাদায়ক দিন। আলোচনা কিছুটা করতে পারলেও সরকার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে আইনটি রহিত করা হলো।

তিনি বলেন, যে আইনগুলো সরকারের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে পারে তারা কেবল সেগুলো পাস করছে। সরকারের এ দ্বিমুখী অবস্থান দেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে না। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় একতরফা ভাবে আইন পাস করছে সরকার।

উল্লেখ, বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুন:প্রচলন) বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল; জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল, জেলা পরিষদ বিল, পৌরসভা বিলসহ কয়েকটি বিলে আপত্তি দেয়। তবে তাদের আপত্তি থাকলেও কণ্ঠভোটে সবগুলো বিল পাস হয়।