ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন ১৬০০ মুসল্লি

প্রতীকী ছবি

পবিত্র রমজান মাস সওয়াব ও পুণ্য অর্জনের মাস। অধিক পুণ্য লাভের আশায় রোজাদাররা ঘরে এবং মসজিদে ফরজ ও সুন্নাহ এবং নফল ইবাদাতের পাশাপাশি ইতিকাফে বসেন। এরই ধারাবাহিকতায় যশোরের একটি মসজিদে এবার বড় পরিসরে ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৬০০ মুসল্লি, যাদের মধ্যে ৭৫ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

ইতিকাফে অংশ নেওয়া বিদেশি মুসল্লিরা এসেছেন ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র এবং পানামা থেকে।

জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সতীঘাটা এলাকায় অবস্থিত আশরাফুল মাদারিস কম্পাউন্ডের মসজিদে এ বছর বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ইতিকাফে বসেছেন। সাধারণত ২০ রমজান থেকে সুন্নত ইতিকাফ শুরু হলেও এখানে ১ রমজান থেকেই অনেকে নফল ইতিকাফে বসেন। দিন যত গড়িয়েছে, মুসল্লির সংখ্যাও তত বেড়েছে। ২২ রমজান পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, সুন্নত ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৬০০ মুসল্লি।

আশরাফুল মাদারিসের মহাপরিচালক মাওলানা নাসীরুল্লাহ জানান, তাদের মসজিদে কয়েক বছর ধরে বড় পরিসরে ইতিকাফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো এখানে বৃহৎ পরিসরে ইতিকাফ আয়োজন করা হয়। এরপর থেকে দেশ-বিদেশের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। এর আগে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড, চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া ও যশোরের মাছনা মাদরাসাসংলগ্ন মসজিদ প্রভৃতি স্থানে এমন বড় পরিসরে ইতিকাফে বসেছেন মুসল্লিরা।

স্থানীয় আলেমরা জানান, বিপুলসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠুভাবে ইতিকাফের পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য তাদের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী আলাদা খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

আশরাফুল মাদারিস প্রাঙ্গণে কথা হয় যশোর শহরের নলডাঙ্গা জামে মসজিদের খতিব মুফতি আরিফুল ইসলাম ফয়সালের সঙ্গে। তিনি জানান, বাংলাদেশি মুসল্লিদের জন্য যে খাবারের আয়োজন করা হয়, বিদেশিরা তা খেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। সে কারণে সংশ্লিষ্ট দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুতের চেষ্টা করা হয়।

সূত্র: আমার দেশ

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এক মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন ১৬০০ মুসল্লি

আপডেট হয়েছে : ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস সওয়াব ও পুণ্য অর্জনের মাস। অধিক পুণ্য লাভের আশায় রোজাদাররা ঘরে এবং মসজিদে ফরজ ও সুন্নাহ এবং নফল ইবাদাতের পাশাপাশি ইতিকাফে বসেন। এরই ধারাবাহিকতায় যশোরের একটি মসজিদে এবার বড় পরিসরে ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৬০০ মুসল্লি, যাদের মধ্যে ৭৫ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

ইতিকাফে অংশ নেওয়া বিদেশি মুসল্লিরা এসেছেন ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র এবং পানামা থেকে।

জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের সতীঘাটা এলাকায় অবস্থিত আশরাফুল মাদারিস কম্পাউন্ডের মসজিদে এ বছর বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ইতিকাফে বসেছেন। সাধারণত ২০ রমজান থেকে সুন্নত ইতিকাফ শুরু হলেও এখানে ১ রমজান থেকেই অনেকে নফল ইতিকাফে বসেন। দিন যত গড়িয়েছে, মুসল্লির সংখ্যাও তত বেড়েছে। ২২ রমজান পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, সুন্নত ইতিকাফে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৬০০ মুসল্লি।

আশরাফুল মাদারিসের মহাপরিচালক মাওলানা নাসীরুল্লাহ জানান, তাদের মসজিদে কয়েক বছর ধরে বড় পরিসরে ইতিকাফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো এখানে বৃহৎ পরিসরে ইতিকাফ আয়োজন করা হয়। এরপর থেকে দেশ-বিদেশের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। এর আগে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড, চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া ও যশোরের মাছনা মাদরাসাসংলগ্ন মসজিদ প্রভৃতি স্থানে এমন বড় পরিসরে ইতিকাফে বসেছেন মুসল্লিরা।

স্থানীয় আলেমরা জানান, বিপুলসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠুভাবে ইতিকাফের পরিবেশ বজায় রাখতে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য তাদের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী আলাদা খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

আশরাফুল মাদারিস প্রাঙ্গণে কথা হয় যশোর শহরের নলডাঙ্গা জামে মসজিদের খতিব মুফতি আরিফুল ইসলাম ফয়সালের সঙ্গে। তিনি জানান, বাংলাদেশি মুসল্লিদের জন্য যে খাবারের আয়োজন করা হয়, বিদেশিরা তা খেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। সে কারণে সংশ্লিষ্ট দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুতের চেষ্টা করা হয়।

সূত্র: আমার দেশ