ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন পলাতক হাসিনা: এলজিআরডি মন্ত্রী

রোববার দুপুরে মায়ের ডাকের প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসবি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধে বিদেশে পালিয়ে গেলেও তার এখনো কোনো অনুশোচনা নেই, বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছেন।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আজ আপনাদের সামনে বলছি, আমি ফিরে গিয়েই প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি লিখব। এই পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আজ আমরা কেউ মন্ত্রী হয়েছি, কেউ এমপি হয়েছি, কেউ বড় চাকরি করছি—এখানে আমাদের সচিবও আছেন। আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছি। কিন্তু যারা এই সংগ্রামের জন্য হারিয়ে গেছে, তাদের সন্তানেরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে রয়েছে। অন্তত তাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার চেষ্টা আমরা করতে পারি। তাহলেই আমাদের সরকারের আসাটা সার্থক হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই পুরো সংগ্রামের সময় যে সাহসী মানুষগুলো আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে, আমি সব সময় তাদের স্মরণ করি। সেই সময়টা আমি জানি— কীভাবে একা এককভাবে লড়াই হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য, ভাষা আন্দোলন ছাড়া আমাদের অনেক জাতীয় সংগ্রাম, লড়াই ও যুদ্ধ হয়েছে—কিন্তু সেগুলো নিয়ে খুব বেশি উচ্চমানের সাহিত্য বা কবিতা তৈরি হয়নি। আমি আশা করি, এবারের যে সংগ্রাম ও লড়াই আমরা করছি, তা যেন সেই মানের হয়, যাতে আমরা গোটা পৃথিবীতে তা উপস্থাপন করতে পারি ‘

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন পলাতক হাসিনা: এলজিআরডি মন্ত্রী

আপডেট হয়েছে : ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

রোববার দুপুরে মায়ের ডাকের প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসবি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধে বিদেশে পালিয়ে গেলেও তার এখনো কোনো অনুশোচনা নেই, বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছেন।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আজ আপনাদের সামনে বলছি, আমি ফিরে গিয়েই প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি লিখব। এই পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে ভাতা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আজ আমরা কেউ মন্ত্রী হয়েছি, কেউ এমপি হয়েছি, কেউ বড় চাকরি করছি—এখানে আমাদের সচিবও আছেন। আমরা সবাই নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছি। কিন্তু যারা এই সংগ্রামের জন্য হারিয়ে গেছে, তাদের সন্তানেরা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্যে রয়েছে। অন্তত তাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার চেষ্টা আমরা করতে পারি। তাহলেই আমাদের সরকারের আসাটা সার্থক হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই পুরো সংগ্রামের সময় যে সাহসী মানুষগুলো আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে, আমি সব সময় তাদের স্মরণ করি। সেই সময়টা আমি জানি— কীভাবে একা এককভাবে লড়াই হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য, ভাষা আন্দোলন ছাড়া আমাদের অনেক জাতীয় সংগ্রাম, লড়াই ও যুদ্ধ হয়েছে—কিন্তু সেগুলো নিয়ে খুব বেশি উচ্চমানের সাহিত্য বা কবিতা তৈরি হয়নি। আমি আশা করি, এবারের যে সংগ্রাম ও লড়াই আমরা করছি, তা যেন সেই মানের হয়, যাতে আমরা গোটা পৃথিবীতে তা উপস্থাপন করতে পারি ‘