ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা উত্তর সিটির সাবেক প্রশাসক ও নবনিযুক্ত প্রশাসকের পাল্টাপাল্টি জবাব

শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ও মোহাম্মদ এজাজ

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকার দুই সিটি এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। তারা জানান, সাবেক প্রশাসকদের অতিরিক্ত ওয়ার্ক অর্ডার ও আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হওয়ার ফলে আর্থিক সংকটে পড়েছে সিটি করপোরেশনগুলো।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সাংবাদিকদের জানান, উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দু’দিন আগে উত্তর সিটির সাবেক প্রশাসক ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ অফিস করেছেন। সেদিনও তিনি ৩৪টি ফাইল সাইন করে গেছেন। করপোরেশনে এখন একেবারেই ভঙ্গুর অবস্থা, কোনো ফান্ড নেই। এদিকে ১৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন আরও বলেন, আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব থেকে রেভিনিউ সেকশনে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি, প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ফলে থাকবে কেবল ১২ কোটি। এখন বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে করবেন- এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

নবনিযুক্ত প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের এমন বক্ত্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে পাল্টা জবাব দেন।

স্ট্যাটাসে সাবেক এই প্রশাসক লিখেছেন, ‘আমি সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক হিসেবে এক বছর মেয়াদের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। আমার এক বছরের মেয়াদের শেষ দিন ১০ ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেই। সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ টি একাউন্টে মোট ১২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার তিনশ ১১ টাকা ৬০ পয়সা তহবিলে জমা রেখে একটি সমৃদ্ধ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন রেখে এসেছিলাম। আশাকরি সুন্দর ঢাকা গড়তে বর্তমান টিম আরও ভালো করবে, শুভকামনা।’

ঢাকা উত্তর সিটির বাসিন্দাদের প্রশ্ন এই কয়দিনে বাকি টাকা উধাও হল কিভাবে?

সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা উত্তর সিটির সাবেক প্রশাসক ও নবনিযুক্ত প্রশাসকের পাল্টাপাল্টি জবাব

আপডেট হয়েছে : ১০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকার দুই সিটি এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। তারা জানান, সাবেক প্রশাসকদের অতিরিক্ত ওয়ার্ক অর্ডার ও আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হওয়ার ফলে আর্থিক সংকটে পড়েছে সিটি করপোরেশনগুলো।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন সাংবাদিকদের জানান, উত্তর সিটির ফান্ডে এখন মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দু’দিন আগে উত্তর সিটির সাবেক প্রশাসক ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ অফিস করেছেন। সেদিনও তিনি ৩৪টি ফাইল সাইন করে গেছেন। করপোরেশনে এখন একেবারেই ভঙ্গুর অবস্থা, কোনো ফান্ড নেই। এদিকে ১৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন আরও বলেন, আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব থেকে রেভিনিউ সেকশনে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি, প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ফলে থাকবে কেবল ১২ কোটি। এখন বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে করবেন- এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

নবনিযুক্ত প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের এমন বক্ত্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে পাল্টা জবাব দেন।

স্ট্যাটাসে সাবেক এই প্রশাসক লিখেছেন, ‘আমি সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক হিসেবে এক বছর মেয়াদের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। আমার এক বছরের মেয়াদের শেষ দিন ১০ ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেই। সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ টি একাউন্টে মোট ১২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার তিনশ ১১ টাকা ৬০ পয়সা তহবিলে জমা রেখে একটি সমৃদ্ধ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন রেখে এসেছিলাম। আশাকরি সুন্দর ঢাকা গড়তে বর্তমান টিম আরও ভালো করবে, শুভকামনা।’

ঢাকা উত্তর সিটির বাসিন্দাদের প্রশ্ন এই কয়দিনে বাকি টাকা উধাও হল কিভাবে?