ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল:প্রধানমন্ত্রী

২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

জনাব তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।

সর্বাধিক পঠিত

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট হয়েছে : ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিল। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

জনাব তারেক রহমান বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।