ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাঁচামাল সংকটে রাষ্ট্রীয় একমাত্র তেল পরিশোধনাগারের প্রধান দুটি প্লান্ট বন্ধ

অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বা ক্রড অয়েল সংকটে রাষ্ট্রীয় একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রধান দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ছোট একটি প্লান্ট চালু রাখা হয়েছে । চালু ইউনিট থেকে দৈনিক মাত্র ১২০ টন ডিজেল ও ১শ’ টন পেট্রোল উৎপাদন হচ্ছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখের পর থেকে আর কোন ক্রড আসেনি চট্টগ্রামে। কাঁচামাল সংকটে মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে সবকটি প্লান্ট লো ক্যাপাসিটিতে চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালে ক্রডের মজুদ ডেড স্টকে পৌঁছে যাওয়ায় ইআরএলের বড় প্লান্ট দুটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত ট্যাংকের তলানির ১.৫ মিটারের মতো ডেডস্টক ধরা হয়। রোববার বিকালে মজুত ডেড স্টক স্পর্শ করে। এরপরও এক দিন প্লান্ট চালু রাখা হয়। সবশেষ মঙ্গলবার দুপুর থেকে বড় ও প্রধান দুটি প্লান্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে ইআরএলের ক্রডের মজুত এক মিটারের কাছাকাছি।

বিপিসি’র অপারেশন বিভাগের জিএম মোরশেদ আজাদ জানান, বর্তমানে একটি প্লান্ট চালু আছে। এটি থেকে বিপনন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দৈনিক ১০০ টন পেট্রোল ও ১২০ টন ডিজেল সরবরাহ করছে ইআরএল। যত সময় তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে ততসময় পুরোপুরি বন্ধ বলা যাবে না। যে মজুত আছে তা দিয়ে আরো ১৫ দিন এই একটি প্লান্ট চালু রাখা যাবে। আগামী ৫ মে ক্রড অয়েলের একটি চালান আসার কথা রয়েছে। চালানটি এলে পুরোদমে সবগুলো প্লান্ট চালু করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষণ করুন

দুর্গাপূজায় ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘কাট-পিস’

কাঁচামাল সংকটে রাষ্ট্রীয় একমাত্র তেল পরিশোধনাগারের প্রধান দুটি প্লান্ট বন্ধ

আপডেট হয়েছে : ০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বা ক্রড অয়েল সংকটে রাষ্ট্রীয় একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির প্রধান দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ছোট একটি প্লান্ট চালু রাখা হয়েছে । চালু ইউনিট থেকে দৈনিক মাত্র ১২০ টন ডিজেল ও ১শ’ টন পেট্রোল উৎপাদন হচ্ছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখের পর থেকে আর কোন ক্রড আসেনি চট্টগ্রামে। কাঁচামাল সংকটে মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে সবকটি প্লান্ট লো ক্যাপাসিটিতে চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালে ক্রডের মজুদ ডেড স্টকে পৌঁছে যাওয়ায় ইআরএলের বড় প্লান্ট দুটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত ট্যাংকের তলানির ১.৫ মিটারের মতো ডেডস্টক ধরা হয়। রোববার বিকালে মজুত ডেড স্টক স্পর্শ করে। এরপরও এক দিন প্লান্ট চালু রাখা হয়। সবশেষ মঙ্গলবার দুপুর থেকে বড় ও প্রধান দুটি প্লান্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে ইআরএলের ক্রডের মজুত এক মিটারের কাছাকাছি।

বিপিসি’র অপারেশন বিভাগের জিএম মোরশেদ আজাদ জানান, বর্তমানে একটি প্লান্ট চালু আছে। এটি থেকে বিপনন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দৈনিক ১০০ টন পেট্রোল ও ১২০ টন ডিজেল সরবরাহ করছে ইআরএল। যত সময় তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে ততসময় পুরোপুরি বন্ধ বলা যাবে না। যে মজুত আছে তা দিয়ে আরো ১৫ দিন এই একটি প্লান্ট চালু রাখা যাবে। আগামী ৫ মে ক্রড অয়েলের একটি চালান আসার কথা রয়েছে। চালানটি এলে পুরোদমে সবগুলো প্লান্ট চালু করা হবে।