ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া

বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর পর এবার আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।

ইহুদি সম্প্রদায়কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য তাদের দায়ী করার অভিযোগে স্থানীয় সময় রোববার এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শায়খ আহমাদুল্লাহর সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরকালে সিডনিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগের কিছু ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক শুরু হয়। একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘একজন পণ্ডিত একবার বলেছিলেন… এমনকি যদি দুটি মাছও মারামারি করে, তবে বুঝতে হবে এর পেছনে ইহুদিদের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তারা এতটাই জঘন্য… পৃথিবীর যত অশান্তি, তার নেপথ্য কারিগর হলো তারা।’

এ ধরনের বক্তব্যকে চরম ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে গণ্য করেছে অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ। গতকাল রোববার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার ভিসা বাতিল করে। এর ফলে তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকলেও পুনরায় দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইসলামিক প্র্যাকটিস অ্যান্ড দাওয়াহ সার্কেল’-এর আমন্ত্রণে ‘এ লেগাসি অব ফেইথ’ নামক একটি ট্যুরে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির পাঞ্চবোলে তার প্রধান বক্তা হিসেবে থাকার কথা ছিল। তবে ভিসা জটিলতা ও বিতর্কের মুখে তিনি আগেই অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করেন। ফলে সিডনির অনুষ্ঠানসহ ক্যানবেরা, অ্যাডিলেড এবং পার্থে নির্ধারিত বাকি তিনটি অনুষ্ঠানও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট স্কাই নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামফোবিক (ইসলামবিদ্বেষী) মতাদর্শ ছড়ায়, তাদের প্রতি আমাদের কোনো সহনশীলতা নেই। মাইগ্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী আমাদের এ ধরনের ভিসা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে।’

তিনি বলেন, এর আগে অপর বাংলাদেশি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট হয়েছে : ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর পর এবার আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া।

ইহুদি সম্প্রদায়কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য তাদের দায়ী করার অভিযোগে স্থানীয় সময় রোববার এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শায়খ আহমাদুল্লাহর সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সফরকালে সিডনিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগের কিছু ভিডিও বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক শুরু হয়। একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘একজন পণ্ডিত একবার বলেছিলেন… এমনকি যদি দুটি মাছও মারামারি করে, তবে বুঝতে হবে এর পেছনে ইহুদিদের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তারা এতটাই জঘন্য… পৃথিবীর যত অশান্তি, তার নেপথ্য কারিগর হলো তারা।’

এ ধরনের বক্তব্যকে চরম ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে গণ্য করেছে অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ। গতকাল রোববার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার ভিসা বাতিল করে। এর ফলে তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থাকলেও পুনরায় দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইসলামিক প্র্যাকটিস অ্যান্ড দাওয়াহ সার্কেল’-এর আমন্ত্রণে ‘এ লেগাসি অব ফেইথ’ নামক একটি ট্যুরে যোগ দিতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির পাঞ্চবোলে তার প্রধান বক্তা হিসেবে থাকার কথা ছিল। তবে ভিসা জটিলতা ও বিতর্কের মুখে তিনি আগেই অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করেন। ফলে সিডনির অনুষ্ঠানসহ ক্যানবেরা, অ্যাডিলেড এবং পার্থে নির্ধারিত বাকি তিনটি অনুষ্ঠানও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট স্কাই নিউজকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামফোবিক (ইসলামবিদ্বেষী) মতাদর্শ ছড়ায়, তাদের প্রতি আমাদের কোনো সহনশীলতা নেই। মাইগ্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী আমাদের এ ধরনের ভিসা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে।’

তিনি বলেন, এর আগে অপর বাংলাদেশি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীর ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।