ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে: জামায়াত আমির

ফাইল ছবি

ইরানে সম্প্রতি আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটেছে, তা ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। পোস্টে তিনি বলেন, ইরানে সম্প্রতি আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটেছে, তা ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে। কার্যত এ যুদ্ধাবস্থার কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও জ্বালানি প্রবাহ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

জামায়াত আমির বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই জনজীবনে দারুণ সমস্যা তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন ঈদ ও রোজা উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে অফিস-আদালত, কলকারখানাসহ যাবতীয় বিষয় পূর্ণরূপে কার্যকারিতায় আসবে। সেক্ষেত্রে সংকট আরও মারাত্মকভাবে দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এক বিরক্তিকর ভোগান্তির মুখে পড়েছে জনগণ।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট শুধু যানবাহন চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি কলকারখানা, কৃষি ও উৎপাদনমূলক সকল কাজে প্রভাব ফেলবে। এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইন্টারনেটের গতিপ্রকৃতিও ঝুঁকিতে পড়বে।

এ অবস্থায় আমরা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল পক্ষকে এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করে, কোনো সমস্যা থাকলে তা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মনে রাখবেন, আপনাদের এই যুদ্ধের দাবানল বিশ্বের শত শত কোটি মানুষের যন্ত্রণা ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দয়া করে বিশ্ববাসীকে আর কষ্ট দেবেন না।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষণ করুন

দুর্গাপূজায় ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘কাট-পিস’

যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে: জামায়াত আমির

আপডেট হয়েছে : ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ইরানে সম্প্রতি আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটেছে, তা ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। পোস্টে তিনি বলেন, ইরানে সম্প্রতি আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটেছে, তা ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে। কার্যত এ যুদ্ধাবস্থার কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও জ্বালানি প্রবাহ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

জামায়াত আমির বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই জনজীবনে দারুণ সমস্যা তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন ঈদ ও রোজা উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে অফিস-আদালত, কলকারখানাসহ যাবতীয় বিষয় পূর্ণরূপে কার্যকারিতায় আসবে। সেক্ষেত্রে সংকট আরও মারাত্মকভাবে দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এক বিরক্তিকর ভোগান্তির মুখে পড়েছে জনগণ।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট শুধু যানবাহন চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি কলকারখানা, কৃষি ও উৎপাদনমূলক সকল কাজে প্রভাব ফেলবে। এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইন্টারনেটের গতিপ্রকৃতিও ঝুঁকিতে পড়বে।

এ অবস্থায় আমরা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল পক্ষকে এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করে, কোনো সমস্যা থাকলে তা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মনে রাখবেন, আপনাদের এই যুদ্ধের দাবানল বিশ্বের শত শত কোটি মানুষের যন্ত্রণা ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দয়া করে বিশ্ববাসীকে আর কষ্ট দেবেন না।