ঢাকা , বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

  • আপডেট হয়েছে : ০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 12

ঢালিউডের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘ দিন মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে ৮২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।  ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে এলেও নিয়তি তাকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। 

১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। তবে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমার মাধ্যমে। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। 

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে; একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেন তিনি। চলচ্চিত্র জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন সে সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে। 

সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ আর অ্যাকশনের অনবদ্য এক মিশ্রণ। তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ দিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী। 

সর্বাধিক পঠিত

এই শহরকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলবো – ডা.শফিকুর রহমান

অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

আপডেট হয়েছে : ০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান।  ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী অভিনেতা। পরবর্তীতে সপরিবারে পাঞ্জাবে চলে এলেও নিয়তি তাকে টেনে আনে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। 

১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’র মাধ্যমে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। তবে তার ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমার মাধ্যমে। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। 

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে; একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা দিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেন তিনি। চলচ্চিত্র জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে বিয়ে করেন সে সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে। 

সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ আর অ্যাকশনের অনবদ্য এক মিশ্রণ। তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ দিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।