ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিটি নির্বাচনে জামায়াতের আলোচনায় যারা

ঈদুল ফিতরের পরপরই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। এ সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীও এ দৌড়ে পিছিয়ে নেই।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থী নির্ধারণের জন্য কেন্দ্রীয় জামায়াত তৃণমূল নেতাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা দ্রুত কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

জামায়াতের ভেতরের সূত্র বলছে, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রায় ডজনখানেক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের বেশিরভাগই তরুণ নেতা। ইতোমধ্যে কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রের ঘোষণার অপেক্ষা করা হচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ডা. এসএম খালিদুজ্জামান, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে জনসংযোগ কার্যক্রম শুরু করেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে আলোচনায় রয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ড. আব্দুল মান্নান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন সংসদ সদস্য শাজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আ ম ম মশিউর হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী এবং অধ্যক্ষ নুরুল আমিন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়রসহ অন্যান্য পদে প্রার্থী নির্ধারণের প্রস্তাব তৃণমূল সংগঠন থেকেই আসবে। পরে কেন্দ্রীয় কমিটি সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এজন্য তৃণমূল নেতাদের দ্রুত বৈঠক করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি প্যানেল তৈরি করে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যৌথভাবে অংশ নেবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে জোটগত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দলগুলো নিজ নিজভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আলোচনার টেবিলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিটি নির্বাচনে জামায়াতের আলোচনায় যারা

আপডেট হয়েছে : ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের পরপরই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। এ সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীও এ দৌড়ে পিছিয়ে নেই।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থী নির্ধারণের জন্য কেন্দ্রীয় জামায়াত তৃণমূল নেতাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা দ্রুত কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।

জামায়াতের ভেতরের সূত্র বলছে, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে প্রায় ডজনখানেক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের বেশিরভাগই তরুণ নেতা। ইতোমধ্যে কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রের ঘোষণার অপেক্ষা করা হচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ডা. এসএম খালিদুজ্জামান, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে জনসংযোগ কার্যক্রম শুরু করেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে আলোচনায় রয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ড. আব্দুল মান্নান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন সংসদ সদস্য শাজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আ ম ম মশিউর হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী এবং অধ্যক্ষ নুরুল আমিন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়রসহ অন্যান্য পদে প্রার্থী নির্ধারণের প্রস্তাব তৃণমূল সংগঠন থেকেই আসবে। পরে কেন্দ্রীয় কমিটি সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এজন্য তৃণমূল নেতাদের দ্রুত বৈঠক করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি প্যানেল তৈরি করে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যৌথভাবে অংশ নেবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে জোটগত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দলগুলো নিজ নিজভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আলোচনার টেবিলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ