ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত খুনিদের বিচার চান চরমোনাই পীর

ছবি: সংগৃহীত

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনাগুলোর অন্যতম। একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে সেনা কর্মকর্তাদের মৃত্যু বিরল ঘটনা।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কোনো নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত হয় নাই। এর পেছনে কারা জড়িত, কোন স্বার্থে এমন বর্বরতা চালানো হয়েছে তা আজও স্পষ্ট না।

চরমোনাই পীর পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ২০০৯ সালের পরে অনেক বছর অতিবাহিত হয়েছে, আর সময় ক্ষেপণ করা যাবে না। দ্রুততার সঙ্গে নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষণ করুন

দুর্গাপূজায় ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘কাট-পিস’

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত খুনিদের বিচার চান চরমোনাই পীর

আপডেট হয়েছে : ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ঘটনাগুলোর অন্যতম। একটি স্বাধীন দেশের রাজধানীতে সেনা কর্মকর্তাদের মৃত্যু বিরল ঘটনা।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কোনো নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত হয় নাই। এর পেছনে কারা জড়িত, কোন স্বার্থে এমন বর্বরতা চালানো হয়েছে তা আজও স্পষ্ট না।

চরমোনাই পীর পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ২০০৯ সালের পরে অনেক বছর অতিবাহিত হয়েছে, আর সময় ক্ষেপণ করা যাবে না। দ্রুততার সঙ্গে নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।