আজকে আমাদের বিরোধিরা নিজকে দিল্লির সেবাদাস হিসেবে পরিচিত করেছে। সেবাদাসকে আমরা বাংলাদেশের দায়িত্ব দিতে পারি না। তাদের হাতে দেশকে হস্তান্তর করতে পারি না। তাদের হাত থেকে দেশকে যেকোনো উপায়ে মুক্ত করতে হবে। এই মুক্তির একমাত্র উপায় হলো-৫ আগস্টের মুভমেন্টের পক্ষের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করা।
রোববার দুপুরে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় ধুপখোলা মাঠে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত ঢাকা-৬ আসনের নির্বাচনি জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এলিডিপি প্রেসিডেন্ট কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, মোদির সেবাদাসদের হাত থেকে বাংলাদেশকে চিরকালের জন্য মুক্ত করতে চাইলে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। বর্তমানে সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিতে চাই।
সারাজীবন আমি যুদ্ধ করেছি, ১৯৭১ সালে ক্যাপ্টেন হিসেবে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলাম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেওয়ানহাট থেকে ফিরিয়ে এনেছিলাম। পরে দুজনে গিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হলো।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল-ন্যায়ভিত্তিক একটা সমাজ হবে, অর্থনৈতিক মুক্তি হবে, বাংলাদেশের মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করবে। দীর্ঘ ২৫ বছর দেখেছি, ভারতের দালাল-মোদির দাসেরা দেশ পরিচালনা করেছে। এখন জাতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, বিএনপিকে আপনারা ক্ষমতায় দেখেছেন, আওয়ামী লীগকেও ক্ষমতায় দেখেছেন্, জামায়াতের দুইজনকে ক্ষমতায় দেখেছেন। ২০০৮ সালে নিজামী ও মুজাহিদ ছাড়া সবাই দুর্নীতির দায়ে জেলে আবদ্ধ ছিল।
আমরা যারা এই মঞ্চে আছি, আমাদের শেষ যুদ্ধ। এই যুদ্ধ হবে-১৯৭১ সালের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা। ভারতের দাসত্বমুক্ত বাংলাদেশ, চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ, যেখানে ধনী-গরিবের মধ্যে বিচারে কোনো পার্থক্য থাকবে না।
তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব বলেছিলো, ৫ আগস্টের মুভমেন্টে আমাদের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। এটা তারই কথা। তাহলে বিএনপি এখনকার অবস্থা চায়নি, তারা শেখ হাসিনাকেই চেয়েছিল। আর আপনারা চৌদ্দ শতাধিক শহীদ হয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে এবং ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের অবশ্যই বিজয় করতে হবে।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।




















