নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বিপিএলের এবারের আসরের শিরোপা ঘরে তোলেছে। ফাইনালের মঞ্চে উত্তেজনাপূর্ণ খেলা উপহার দিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শান্তর দল।
এর আগে ব্যাট করে রাজশাহী করেছিল ৪ উইকেটে ১৭৪। চট্টগ্রাম জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে মাত্র ১১১ রানে অলআউট । ৬৩ রানের জয়ে দ্বাদশ বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন লিগের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রানে থেমেছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ইনিংস। ওপেনার মির্জা বেগ ৩৬ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন। এটাই চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান আসে আসিফ আলীর ব্যাটে। রাজশাহীর হয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। মাত্র ৩ ওভারে ৯ রান খরচায় তার শিকার ছিল ৪ উইকেট।
এর আগে, তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে নিজের তৃতীয় সেঞ্চুরিতে ঠিক ১০০ রানের ইনিংস খেলেন তামিম। ৬২ বলের ইনিংসে ৬ চারের সঙ্গে মারেন ৭টি ছক্কা। বিপিএলের ফাইনালে তৃতীয় সেঞ্চুরি এটি।
চট্টগ্রামের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শরিফুল ইসলাম। এর মধ্যে ইনিংসের শেষ বলে নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট নিয়ে বিপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড গড়েন শরিফুল।
এবারের বিপিএলে ১২ ম্যাচে শরিফুলের শিকার ২৬ উইকেট। সেরা বোলিং ৯ রানে ৫ উইকেট। গত বিপিএলে সমান ম্যাচে ২৫ উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। পরের আসরেই সেই রেকর্ড নতুন করে লিখলেন শরিফুল ইসলাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২০ ওভারে ১৭৪/৪ (তানজিদ ১০০, ফারহান ৩০, উইলিয়ামসন ২৪; মুকিদুল ২/২০, শরীফুল ২/৩৩)।
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৭.৫ ওভারে ১১১ (মির্জা ৩৯, আসিফ ২১, নেওয়াজ ১১; বিনুরা ৪/৯, মুরাদ ৩/১৫, নিশাম ২/২৪)।
ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৬৩ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: তানজিদ হাসান তামিম।
টুর্নামেন্ট সেরা: শরিফুল ইসলাম।






















