ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের মাঠে ১১ যখন ১০ !

  • আপডেট হয়েছে : ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • 113

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলো বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন। আসন সমাঝোতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় দফায় দফায় আলোচনার পরও সমাধান না হওয়ায় ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দলটি। জানা গেছে, গত কয়েকদিনে জোটের সঙ্গীদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওনালা মামুনুল হক আবারও চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেন। তবে তাতে কোনো সমাধান আসেনি।
নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে রাজধানীর পুরানা পল্টনে শুক্রবার প্রেস ব্রিফিং করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির হয়ে এদিন কথা বলেন যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

আগের দিনই বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের ১০টি দলের মধ্যে আসন বন্টনের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে জোটে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শুরু থেকেই ওই জোটে ছিল ইসলামী আন্দোলন। মূলত নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে দলটির সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমদ জানান, শুরুতে পাঁচটি ইসলামপন্থি দল নিয়ে জোট গঠিত হয়। পরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বিএনপিতে যোগ দিয়ে জোট ছাড়ে। এর পর জামায়াতসহ আরও ছয়টি দল যুক্ত হয়ে জোটটি ১১ দলে পরিণত হয়।
তবে ইউনুস আহমদের অভিযোগ, জামায়াত আমাদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছে। তারা ‘বড় ভাই’সুলভ আচরণ করেছে এবং আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই ভাঙনের পেছনে মূল কারণ ছিল বিভাজন ও পারস্পরিক অবিশ্বাস।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য সংরক্ষণ করুন

দুর্গাপূজায় ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘কাট-পিস’

নির্বাচনের মাঠে ১১ যখন ১০ !

আপডেট হয়েছে : ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলো বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন। আসন সমাঝোতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় দফায় দফায় আলোচনার পরও সমাধান না হওয়ায় ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে দলটি। জানা গেছে, গত কয়েকদিনে জোটের সঙ্গীদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওনালা মামুনুল হক আবারও চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করে মধ্যস্থতার চেষ্টা করেন। তবে তাতে কোনো সমাধান আসেনি।
নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে রাজধানীর পুরানা পল্টনে শুক্রবার প্রেস ব্রিফিং করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির হয়ে এদিন কথা বলেন যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।

আগের দিনই বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের ১০টি দলের মধ্যে আসন বন্টনের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে জোটে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শুরু থেকেই ওই জোটে ছিল ইসলামী আন্দোলন। মূলত নির্বাচনের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে দলটির সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমদ জানান, শুরুতে পাঁচটি ইসলামপন্থি দল নিয়ে জোট গঠিত হয়। পরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বিএনপিতে যোগ দিয়ে জোট ছাড়ে। এর পর জামায়াতসহ আরও ছয়টি দল যুক্ত হয়ে জোটটি ১১ দলে পরিণত হয়।
তবে ইউনুস আহমদের অভিযোগ, জামায়াত আমাদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছে। তারা ‘বড় ভাই’সুলভ আচরণ করেছে এবং আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই ভাঙনের পেছনে মূল কারণ ছিল বিভাজন ও পারস্পরিক অবিশ্বাস।