ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম

শুক্রবার রাতে সন্দ্বীপের বাউরিয়া ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডের জমির মাঝির মসজিদে তারাবির নামাজ চলাকালীন সময় মসজিদের ভেতর থেকে ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে টেনে বের করে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

আহত জিহাদ (২০) বাউরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জমির মাঝির মসজিদে ছাত্রশিবির নেতা জিহাদ তারাবির নামাজ পড়ছিলেন। পরে জাসিব, নিরব ও নাঈমসহ কয়েকজন ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ইবাদতরত অবস্থায় জিহাদকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে মসজিদের আঙিনায় বের করে আনে। সেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক স্লোগান দিয়ে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন বলে জানা যায়।

আহত জিহাদের সহকর্মীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করা এবং দলীয় আদর্শগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর জিহাদকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণের চিহ্ন রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম

আপডেট হয়েছে : ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শুক্রবার রাতে সন্দ্বীপের বাউরিয়া ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডের জমির মাঝির মসজিদে তারাবির নামাজ চলাকালীন সময় মসজিদের ভেতর থেকে ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে টেনে বের করে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

আহত জিহাদ (২০) বাউরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জমির মাঝির মসজিদে ছাত্রশিবির নেতা জিহাদ তারাবির নামাজ পড়ছিলেন। পরে জাসিব, নিরব ও নাঈমসহ কয়েকজন ব্যক্তি মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ইবাদতরত অবস্থায় জিহাদকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে মসজিদের আঙিনায় বের করে আনে। সেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক স্লোগান দিয়ে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন বলে জানা যায়।

আহত জিহাদের সহকর্মীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করা এবং দলীয় আদর্শগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর জিহাদকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণের চিহ্ন রয়েছে।