বিএনপির অনেক নেতারা চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা বিএনপি ও শ্রমিক দলের দুই নেতা।
সোমবার বিকালে শহরের কাজির পয়েন্টের লতিফা কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন ও উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ফেরদৌস আলম।
এ সময় পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে যৌথভাবে স্বাক্ষরিত দুই পাতার একটি বক্তব্য পড়ে শোনান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ফেরদৌস আলম বলেন, জুলাই আন্দোলনের সফলতাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে অস্বীকার করছে বিএনপি। রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য আয়োজিত গণভোট প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ গুরুত্ব পাচ্ছে না বিএনপির প্রচারণায়।
তারা বলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনে শেষ মুহূর্তে এসে ‘বিনা কারণে’ দলের ‘নিবেদিত এক নেতাকে’ বাদ দিয়ে আরেকজনকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। দলের ত্যাগী নিবেদিত হাজার হাজার কর্মীর চোখের পানির কোন মূল্যায়ন করেনি দলের হাইকমান্ড।
এছাড়া, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দলের অনেক নেতা চাঁদাবাজিসহ অনৈতিক কাজের জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ করেছেন তারা। তাহিরপুর উপজেলায় পদধারী কিছু নেতার এসব বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকার পরেও দল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো চিহ্নিত অনেক অপরাধীকে দলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
৫ আগস্টের পর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে গ্রামের পর গ্রাম নদীগর্ভে বিলীনের হুমকির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগের পদদারী নেতাদের সঙ্গে মিলেমিশে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন বিএনপির অনেক নেতা।
এছাড়া রক্তি, পাটলাই, বৌলাই ও যাদুকাটা নদী দিয়ে চলাচলকারী নৌযান আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনেন বিএনপি নেতৃত্বে ওপর। সীমান্তের তিনটি শুল্কস্টেশন চারাগাঁও, বাগলী ও বড়ছড়া দখল করে চলছে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে।





















