জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা একটি জোট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। এখানে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো পুরো এনসিপির যাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা যখন জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু করি, তখন কিছু প্রতিশ্রুতি ও ঘোষণাপত্র দিয়ে শুরু করেছিলাম। নির্বাচনে জোট গঠন করলেও নতুন বন্দোবস্তের লড়াই চলমান। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে এনসিপির লক্ষ্য সংস্কার বাস্তবায়ন করা।
শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে এনসিপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই আমাদের দলের নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। আমাদের চিন্তা ও আদর্শের জায়গাটাও তৈরি হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে।আমরা আগস্টে শহীদ মিনারে স্পষ্টভাবে কয়েকটি কথা বলেছিলাম—ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা। স্বাধীনতার পর ৫০ বছরেও যে ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, তার কারণেই আমরা প্রকৃত গণতন্ত্রে পৌঁছাতে পারিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় ৩৬ দফা ইশতেহারের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানে ২৪-এর প্রজন্ম একটি নতুন প্রজন্ম হিসেবে বাংলাদেশে আবির্ভূত হয়েছে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এই প্রজন্মকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটাই আমাদের ভাবনা। তাই তারুণ্য আমাদের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। দ্বিতীয়টি হলো মর্যাদা বা ডিগনিটি।




















