সোমবার রাত থেকেই সেনাবাহিনীসহ যৌথবাহিনীর একটি শক্তিশালী টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরের প্রবেশ পথগুলো সিলগালা করা হয়েছে। ভোরের আগে বা সকালে অভিযান শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
র্যাব কর্মকর্তার ভাষায়, এটি শুধু একজন আসামিকে ধরার অভিযান নয়—হামলার পর এখন গোটা সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে ধ্বংস করার অপারেশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
র্যাব–৭–এর অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে একজন নায়েব সুবেদার নিহত হওয়ার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পুরো এলাকা ঘিরে যৌথবাহিনীর বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর একটি টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে ঘটনাস্থলের কাছেই দায়িত্বরত র্যাব–৭–এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও গণমাধ্যম শাখার সিনিয়র সহকারী পরিচালক এ আর এম মোজাফফর হোসেন জানান, আমাদের সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালানোর পর আমরা দ্রুত পুরো এলাকা ঘিরে ফেলি। যেন কেউ পালাতে না পারে—সেজন্য সব প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ চেকপোস্ট দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। যৌথবাহিনীর অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। তবে কখন অভিযান শুরু হবে, তা বলা যাচ্ছে না।





















