ঢাকা , বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টিএসসি’র পায়রা চত্বরে শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা

  • আপডেট হয়েছে : ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 25

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা শুরু হয়েছে।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্বরে আয়োজিত এই বইমেলার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবিদ হাসান রাফির সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের ডা. মো. মাহফুজুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক এবং ইনকিলাব মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফাতেমা তাসনিম জুমা, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয়, ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের, লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, ঢাবি শাখার সভাপতি আশিক খানসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি সর্বদা ন্যায় ও মজলুমের পক্ষে এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তার হত্যাকাণ্ড শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি আদর্শকে হত্যা করার অপচেষ্টা। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শহীদ হাদি হত্যার ন্যায়বিচার দেখতে চাই।

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শহীদ ওসমান হাদি তার কাজের মাধ্যমে দেখিয়েছেন আমাদের লড়াইটা কাদের সঙ্গে। তারা ভেবেছিল হত্যা করার মাধ্যমে তার আদর্শ, প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা নিভিয়ে দিতে পারবে, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। বরং তার আদর্শ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা জীবিত থাকতেই তার হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করবো- ইনশাআল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লেখক ফোরামের সভাপতি আশিক খান বলেন, এই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য হলো ওসমান হাদির জীবন, আদর্শ ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। চিন্তা ও পাঠের মাধ্যমে প্রতিবাদী চেতনাকে জাগ্রত করা এবং বইকে প্রতিরোধ ও মুক্তচিন্তার কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

মেলায় ২২টি প্রকাশনার স্টল অংশ নিয়েছে। ১৮ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বইমেলার পাশাপাশি শহীদ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের সহযোগিতায় ।

সর্বাধিক পঠিত

এই শহরকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলবো – ডা.শফিকুর রহমান

টিএসসি’র পায়রা চত্বরে শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা

আপডেট হয়েছে : ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা শুরু হয়েছে।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) পায়রা চত্বরে আয়োজিত এই বইমেলার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবিদ হাসান রাফির সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের ডা. মো. মাহফুজুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক এবং ইনকিলাব মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফাতেমা তাসনিম জুমা, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয়, ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের, লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, ঢাবি শাখার সভাপতি আশিক খানসহ অনেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি সর্বদা ন্যায় ও মজলুমের পক্ষে এবং আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তার হত্যাকাণ্ড শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি আদর্শকে হত্যা করার অপচেষ্টা। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শহীদ হাদি হত্যার ন্যায়বিচার দেখতে চাই।

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শহীদ ওসমান হাদি তার কাজের মাধ্যমে দেখিয়েছেন আমাদের লড়াইটা কাদের সঙ্গে। তারা ভেবেছিল হত্যা করার মাধ্যমে তার আদর্শ, প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা নিভিয়ে দিতে পারবে, কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। বরং তার আদর্শ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা জীবিত থাকতেই তার হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করবো- ইনশাআল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লেখক ফোরামের সভাপতি আশিক খান বলেন, এই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য হলো ওসমান হাদির জীবন, আদর্শ ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। চিন্তা ও পাঠের মাধ্যমে প্রতিবাদী চেতনাকে জাগ্রত করা এবং বইকে প্রতিরোধ ও মুক্তচিন্তার কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

মেলায় ২২টি প্রকাশনার স্টল অংশ নিয়েছে। ১৮ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বইমেলার পাশাপাশি শহীদ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা আয়োজন করা হয়েছে অরোরা স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের সহযোগিতায় ।