ঢাকা , বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধারাবাহিকভাবে ভরাডুবির গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল

  • আপডেট হয়েছে : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 12

ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ধারাবাহিকভাবে ভরাডুবির গ্লানি সহ্য করতে না পেরে এখন পেশিশক্তির উপর ভর করে ছাত্রসংসদ নির্বাচন পেছানোর জন্য ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

রোববার তাঁর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে এ মন্তব্য ব্যক্ত করেন তিনি।

 তিনি আরো বলেন- শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটের উপর কোনো আস্থা এই সংগঠনের নেই। শিক্ষার্থীরাও এ কারণে তাদের প্রতিটি ক্যাম্পাসে পরিত্যাগ করেছে। এভাবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে আদৌ কি রাজনীতি করা সম্ভব!

শিক্ষার্থীদের অধিকারের সঙ্গে তামাশা করলে সমুচিত জবাব পাবেন ইনশাআল্লাহ।

শিবির সভাপতি বলেন- এর আগে প্রতিটি ছাত্রসংসদ নির্বাচনকে পেছানোর জন্য তারা যারপরনাই চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এরপর নির্বাচন কমিশনে বিএনপির সিন্ডিকেটকে ব্যবহার করে শাকসু নির্বাচনকেও বানচালের চক্রান্ত করে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে এবং সে আন্দোলনে ছাত্রদলের প্যানেলও অংশ নেয়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন শাকসুকে প্রজ্ঞাপনের আওতা মুক্ত রাখে।

আজ আবার দেখছি, শাকসু নির্বাচন যাতে না হয় সেজন্য কেন্দ্রের নেতারা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি করছে। বিএনপি এর আগে যতবার ক্ষমতায় ছিল একবারও কোনো ছাত্রসংসদ নির্বাচন দেয়নি। সুতরাং এটা সুস্পষ্ট যে তারা ক্ষমতায় যেতে চায় শুধু নিজেদের আখের গোছানোর জন্য। “ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন” এটা শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য।

সর্বাধিক পঠিত

এই শহরকে নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলবো – ডা.শফিকুর রহমান

ধারাবাহিকভাবে ভরাডুবির গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল

আপডেট হয়েছে : ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ধারাবাহিকভাবে ভরাডুবির গ্লানি সহ্য করতে না পেরে এখন পেশিশক্তির উপর ভর করে ছাত্রসংসদ নির্বাচন পেছানোর জন্য ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

রোববার তাঁর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে এ মন্তব্য ব্যক্ত করেন তিনি।

 তিনি আরো বলেন- শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটের উপর কোনো আস্থা এই সংগঠনের নেই। শিক্ষার্থীরাও এ কারণে তাদের প্রতিটি ক্যাম্পাসে পরিত্যাগ করেছে। এভাবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে আদৌ কি রাজনীতি করা সম্ভব!

শিক্ষার্থীদের অধিকারের সঙ্গে তামাশা করলে সমুচিত জবাব পাবেন ইনশাআল্লাহ।

শিবির সভাপতি বলেন- এর আগে প্রতিটি ছাত্রসংসদ নির্বাচনকে পেছানোর জন্য তারা যারপরনাই চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এরপর নির্বাচন কমিশনে বিএনপির সিন্ডিকেটকে ব্যবহার করে শাকসু নির্বাচনকেও বানচালের চক্রান্ত করে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে এবং সে আন্দোলনে ছাত্রদলের প্যানেলও অংশ নেয়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন শাকসুকে প্রজ্ঞাপনের আওতা মুক্ত রাখে।

আজ আবার দেখছি, শাকসু নির্বাচন যাতে না হয় সেজন্য কেন্দ্রের নেতারা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি করছে। বিএনপি এর আগে যতবার ক্ষমতায় ছিল একবারও কোনো ছাত্রসংসদ নির্বাচন দেয়নি। সুতরাং এটা সুস্পষ্ট যে তারা ক্ষমতায় যেতে চায় শুধু নিজেদের আখের গোছানোর জন্য। “ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন” এটা শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য।