ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেসব যানবাহন মহাসড়কে ৭ দিন বন্ধ থাকবে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদযাত্রার মূল সময়ে সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়।

তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকেই ঘরমুখী মানুষের চাপ সামলাতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বহির্গমন পথগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। যানজট এড়াতে সাধারণ যানবাহনকে কুড়িল-আব্দুল্লাহপুর, গুলিস্তান-সাইনবোর্ড, মিরপুর রোড-আমিনবাজার এবং ফুলবাড়িয়া-সদরঘাটসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রুট পরিহার করে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আন্তঃজেলা বাসগুলোকে কোনোভাবেই টার্মিনালের বাইরে বা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো করতে দেওয়া হবে না। এমনকি মহানগরীর প্রবেশপথে কোনো ধরনের বাস পার্কিং করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের জন্য জারি করা নির্দেশনায় ডিএমপি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা একই আসনের টিকিট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাসের ছাদে যাত্রী বহন এবং ফিটনেসবিহীন বা যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত যানবাহন রাস্তায় নামানোর বিষয়েও দেওয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারি।

বেপরোয়া গতি, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো কিংবা চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোন ও হেডফোন ব্যবহার বন্ধে সড়কগুলোতে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে।

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেসব যানবাহন মহাসড়কে ৭ দিন বন্ধ থাকবে

আপডেট হয়েছে : ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদযাত্রার মূল সময়ে সড়কের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সারা দেশে মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়।

তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকেই ঘরমুখী মানুষের চাপ সামলাতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বহির্গমন পথগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। যানজট এড়াতে সাধারণ যানবাহনকে কুড়িল-আব্দুল্লাহপুর, গুলিস্তান-সাইনবোর্ড, মিরপুর রোড-আমিনবাজার এবং ফুলবাড়িয়া-সদরঘাটসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রুট পরিহার করে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আন্তঃজেলা বাসগুলোকে কোনোভাবেই টার্মিনালের বাইরে বা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো করতে দেওয়া হবে না। এমনকি মহানগরীর প্রবেশপথে কোনো ধরনের বাস পার্কিং করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের জন্য জারি করা নির্দেশনায় ডিএমপি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা একই আসনের টিকিট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাসের ছাদে যাত্রী বহন এবং ফিটনেসবিহীন বা যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত যানবাহন রাস্তায় নামানোর বিষয়েও দেওয়া হয়েছে কড়া হুঁশিয়ারি।

বেপরোয়া গতি, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো কিংবা চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোন ও হেডফোন ব্যবহার বন্ধে সড়কগুলোতে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে।