ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোরকা পরে পালালেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন

সন্ত্রাসী দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে ভোর থেকে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সোমবার ভোর পাঁচটা থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাগ হয়ে অভিযান চালাচ্ছেন পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পুরো জেলায় প্রায় ৩ হাজার সদস্যের এই অভিযানে সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায়।

এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণকর্তা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. ইয়াছিন অভিযান শুরুর আগেই বোরকা পরে পালিয়েছেন৷

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়্যা হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর দিচ্ছে যৌথ বাহিনী। ওই মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন, নুরুল হক ভান্ডারী, ফারুকসহ বেশ কয়েকজন আসামি রয়েছেন।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, প্রশাসনের অন্যতম টার্গেট ইয়াছিন ভোরের আলো ফোটার আগেই একটি গোপন পথ ব্যবহার করে চলে যান। এ সময় তাকে বোরকা পরিহিত অবস্থায় দেখেন কয়েকজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন প্রতিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের খবর টের পেয়ে বোরকা পরে পালিয়ে যান।

অভিযানে অংশ নেওয়া একটি সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের ভেতরে একাধিক পাহাড়ি ছড়া, ঝোপঝাড় ও পরিত্যক্ত ঘর রয়েছে। এসব স্থানকে অনেক সময় অপরাধীরা আত্মগোপনের জন্য ব্যবহার করে। তাই সদস্যরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে পাহাড়ের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালাচ্ছেন। কোথাও কোথাও পাহাড়ি পথ এতটাই সরু যে একসঙ্গে কয়েকজনের বেশি চলাচল করা সম্ভব হয় না। এ কারণে ধাপে ধাপে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বোরকা পরে পালালেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন

আপডেট হয়েছে : ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

সন্ত্রাসী দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে ভোর থেকে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সোমবার ভোর পাঁচটা থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভাগ হয়ে অভিযান চালাচ্ছেন পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পুরো জেলায় প্রায় ৩ হাজার সদস্যের এই অভিযানে সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায়।

এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণকর্তা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. ইয়াছিন অভিযান শুরুর আগেই বোরকা পরে পালিয়েছেন৷

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব ভূঁইয়্যা হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর দিচ্ছে যৌথ বাহিনী। ওই মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন, নুরুল হক ভান্ডারী, ফারুকসহ বেশ কয়েকজন আসামি রয়েছেন।

স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, প্রশাসনের অন্যতম টার্গেট ইয়াছিন ভোরের আলো ফোটার আগেই একটি গোপন পথ ব্যবহার করে চলে যান। এ সময় তাকে বোরকা পরিহিত অবস্থায় দেখেন কয়েকজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন প্রতিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের খবর টের পেয়ে বোরকা পরে পালিয়ে যান।

অভিযানে অংশ নেওয়া একটি সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের ভেতরে একাধিক পাহাড়ি ছড়া, ঝোপঝাড় ও পরিত্যক্ত ঘর রয়েছে। এসব স্থানকে অনেক সময় অপরাধীরা আত্মগোপনের জন্য ব্যবহার করে। তাই সদস্যরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে পাহাড়ের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালাচ্ছেন। কোথাও কোথাও পাহাড়ি পথ এতটাই সরু যে একসঙ্গে কয়েকজনের বেশি চলাচল করা সম্ভব হয় না। এ কারণে ধাপে ধাপে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।