ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতে ইসলামী সংঘাত-সহিংসতা চায় না: গোলাম পরওয়ার

সোমবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ল’ ইয়ার্স কাউন্সিল কর্তৃক আয়েজিত যাকাত ও রমাদান শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচনে সূক্ষ্ম কারচুপির পরও জামায়াতে ইসলামী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষে ফলাফল মেনে সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ জামায়াতে ইসলামী সংঘাত-সহিংসতা চায় না। জামায়াতে ইসলামী দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য হচ্ছে সরকার দল ও বিরোধীদল সমন্বিতভাবে একে অপরকে সহযোগিতার মাধ্যমে এক নতুন ব্যবস্থার রাজনীতি গড়ে তুলে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা সারা দেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে। জামায়াতের নেতাকর্মীদের এমনকি ভোটারদেরও বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ চালিয়ে আসছে। এতো সহিংসতার পরও জামায়াতে ইসলামী পাল্টা জবাব না দিয়ে সংযত থেকে সরকারকে বারবার সহিংসতা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

এসময় তিনি উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশে যাকাত ও রমাদানের তাৎপর্য তুলে ধরে যথাযথভাবে হিসাব করে যাকাত পরিশোধের আহ্বান জানান।

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামায়াতে ইসলামী সংঘাত-সহিংসতা চায় না: গোলাম পরওয়ার

আপডেট হয়েছে : ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

সোমবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ল’ ইয়ার্স কাউন্সিল কর্তৃক আয়েজিত যাকাত ও রমাদান শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচনে সূক্ষ্ম কারচুপির পরও জামায়াতে ইসলামী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষে ফলাফল মেনে সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ জামায়াতে ইসলামী সংঘাত-সহিংসতা চায় না। জামায়াতে ইসলামী দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য হচ্ছে সরকার দল ও বিরোধীদল সমন্বিতভাবে একে অপরকে সহযোগিতার মাধ্যমে এক নতুন ব্যবস্থার রাজনীতি গড়ে তুলে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা সারা দেশে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে। জামায়াতের নেতাকর্মীদের এমনকি ভোটারদেরও বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ চালিয়ে আসছে। এতো সহিংসতার পরও জামায়াতে ইসলামী পাল্টা জবাব না দিয়ে সংযত থেকে সরকারকে বারবার সহিংসতা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

এসময় তিনি উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশে যাকাত ও রমাদানের তাৎপর্য তুলে ধরে যথাযথভাবে হিসাব করে যাকাত পরিশোধের আহ্বান জানান।