হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক শিবির নেতা জনাব মির্জা গালিব বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার প্রোগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণকে বাংলাদেশ রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ঐতিহাসিক ইতিবাচক দিক।
জনাব মির্জা গালিব তার নিজের ফেইসবুক পোস্টে এ মন্তব্য করেণ।
তিনি লিখেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবার পরে বিরোধী দলের সাথে একটা ভাল সম্পর্ক রাখতে চাইতেছেন বলে মনে হচ্ছে। উনি নির্বাচনে জেতার পরে ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের সাথে একবার দেখা করেছেন। কালকে জামায়াতের ইফতার প্রোগ্রামেও গিয়েছেন। বিজয়ী দলের দিক থেকেই এই উদ্যোগ নেয়ার কথা, এবং তারেক রহমান সেটি নিয়েছেন। এই জন্য তাকে ধন্যবাদ। সরকারী ও বিরোধী দলের মধ্যে ভাল সম্পর্ক আমাদের উন্নতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন।

জনাব গালিব আরো উল্ল্যেখ করেণ, একই সাথে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের বিচারের ব্যাপারে বিএনপি সরকারের কতটুকু কমিটমেন্ট আছে – সেইটাও একটা গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন। বিএনপি যদি সত্যিই চায় যে হিংসা, হানাহানি, ও রাজনৈতিক বিভাজনের উপরে উঠে দেশ পরিচালনা করবে, তাহলে তাদের উচিত জুলাই সনদ ও বিচারের ব্যাপারে অবস্থান ক্লিয়ার করা। আর মাঠপর্যায়ে তাদের দলের লোকদের সন্ত্রাসের লাগাম টেনে ধরা। কালকে চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির হামলায় জামায়াতের একজন নিহত হইছে। এই রাজনৈতিক সন্ত্রাস চলতে থাকলে উপরের দিকে এই সব ফটোসেশানের কোন মানে থাকবে না।
























