যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, শনিবার ভোরে চালানো হামলায় তিনি তাঁর দপ্তরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিহত হন। ঘটনাটিকে ‘কাপুরুষোচিত হামলা’ বলে আখ্যা দিয়েছে তেহরান।
ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬)। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি এবং পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ করেন।
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরানে সর্বোচ্চ নেতার পদটি তৈরি করা হয় এবং তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের ওপরে একজন শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেওয়া হয়। ৮৮ সদস্যের আলেমদের নিয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই নেতা নির্বাচন করে।
খামেনির ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও বাসিজ আধাসামরিক বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই নিরাপত্তা কাঠামোর আনুগত্য তার অবস্থানকে দৃঢ় করে রেখেছে।
দেশটির সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার থেকে এ শোক পালন শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।






















