ঢাকা , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মধ্যপ্রাচ্য> ইরান

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখলেন: জামায়াত আমির

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপডেট হয়েছে : ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 14

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল আলোচিত স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

রোববার ভোর ৬টা নাগাদ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ডা. শফিকুর রহমান একই সুরে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনিও লিখেছেন ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। পোস্ট দেওয়ার পর পরই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন— ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’

গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর এক বক্তব্যের জেরেই জামায়াত আমির এমন পোস্টটি দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি হয়। একই সুরে এর আগে পোস্ট করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম। এরপর এবার জামায়াত আমিরও এই মর্মে স্ট্যাটাস দেন।

জ্বালানীমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ—এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই।’

সর্বাধিক পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য> ইরান

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ লিখলেন: জামায়াত আমির

আপডেট হয়েছে : ০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল আলোচিত স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।

রোববার ভোর ৬টা নাগাদ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ডা. শফিকুর রহমান একই সুরে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনিও লিখেছেন ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। পোস্ট দেওয়ার পর পরই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন— ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফের বাংলাদেশ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’

গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর এক বক্তব্যের জেরেই জামায়াত আমির এমন পোস্টটি দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সৃষ্টি হয়। একই সুরে এর আগে পোস্ট করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম। এরপর এবার জামায়াত আমিরও এই মর্মে স্ট্যাটাস দেন।

জ্বালানীমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ—এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই।’